• 100000000

    Days

  • 14474455

    Hours

  • 45841428793158

    Minutes

  • 14284852257852114569855

    Seconds

Facebook

INSTA FEED @SAGORTIMES

Featured Post

[ নোট ] যে কথাগুলা মুখে বলতে পারি না [ প্রতিনিয়ত আপডেট হয় ]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Labels

Subscribe

I'm Sagor from Sylhet. Studying in English Literature. In this blog I share my personal opinion, tech idea, videos and many more. Thanks.

Tags

Facebook (2) Hacking (1) Others (1) SagorNeel (4) Study (1)

Recent Posts

Posts

Comments

3/recent-comments

Popular

Hi, I am Sagor Neel , the Content Creator of  Roktakto Platform ( Youtube Channel ) where you can see the lyrical music and tech related video for full free. Professionally I am a student. This is my personal website where I publicly disclose my status, notes, opinion and blog for people. Maybe these are beneficial for people or not. I always like to write about tech issues specially and try to find out the way to solve them. I keep both English & Bengali version of my articles. You will be found these from homepage menu bar.
Thanks . CONTACT : sagorneeel@gmail.com 

Saturday, March 24, 2018

ব্লুটুথ বন্ধ রাখা কেনো জরুরী !

March 24, 2018

আমরা প্রায়শই বেখেয়ালিভাবে বা খেয়ালিভাবেও আমাদের ফোনের ব্লুটুথ অন করলেও অনেকসময় অফ করতে ভুলে যাই। কিন্তু, আমাদের এই বেখেয়ালিপনাকে কাজে লাগিয়ে ব্লুবর্ণ( BlueBorne ) এটাক এর মাধ্যমে একজন হ্যকার হাতিয়ে নিতে পারে আমাদের ফোনের সকল তথ্য এবং নিয়ন্ত্রণ করতে পারে আমাদের সম্পূর্ণ ফোন।
.
এ বিষয় নিয়েই আজকে আমি ব্লগপোষ্টটি লিখতে বসলাম।
.
সিলেটের জনপ্রিয় মোবাইল শপিং মার্কেট করিম উল্লাহ তে ডুকলো কোনো এক হ্যাকার, কোনো মাস্ক টাস্ক নিয়ে না, জাস্ট নরমাল মানুষ এর বেশে, করিম উল্লাহ তে শপিং করতে আসা হাজার হাজার মানুষের মধ্যে অন্তত ৫০০ মানুষ নিজেদের মোবাইল এর ব্লুটুথটা অন করে রেখেছে। ১০০% গ্যারান্টি সহকারে বলতে পারি, আসলে আমরা ব্লুটুথটা নিয়ে খুব একটা সিরিয়াস নই, আনমনেই ব্লুটুথ অন করে রাখি।
.
যাই হোক হ্যাকার তখন কি করতে পারে??
হ্যাকার জাস্ট একটা সিস্টেম অন করবে, ব্যাস, কাজ শেষ এখানেই!!! করিম উল্লাহ তে মিনিমাম ৫০০ জনের ব্লুটুথ অন করা হিসেবে আমি হিসাবটা শুরু করছিলাম...
.
এখন একটু ফলাফলটা জেনে নেই আগে ভাগেই... ↓
৫০০ টা ব্লুটুথ অন করা মোবাইলের ৫০০ টা ফেসবুক আইডি লগিন করা, ৫০০ টা জিমেইল লগিন করা, ৫০০ টা ইন্সটাগ্রাম আইডি,৫০০ টা মোবাইল নাম্বার, কতো হাজার হাজার মোবাইল বেলেন্স,কতো হাজার মানুষের পারসোনাল মোবাইল নাম্বার, কতো হাজার পারসোনাল পিক, কতো হাজার ডকুমেন্ট, কতো শতো বিকাশ একাউন্ট, সব জাস্ট হ্যাকড!!!!!❌

কিভাবে কি হলো?
.
হ্যাকার BlueBorne এটার্কের সিস্টেম চালু করলো, আর এমনিতেই ব্লুটুথ অন করা প্রত্যেকটা ডিভাইসের একসেস পেলো। আপনি জানতেও পারলেন না,আজ বিকালে করিম উল্লাহ তে শপিং করতে গিয়ে কখন আপনার সব কিছু হ্যাক হয়ে গেলো!!!
BlueBorne এটাক এতোই কার্যকর যে এটাতে অন্যের ডিভাইসের একসেস নিতে কোনো রিকুয়েস্ট(Blutooth Pair) রিকুয়েস্টটাও একসেপ্ট করতে হয় না, জাস্ট কানেক্ট করবে আপনার ডিভাইসের সাথে আর একসেস নিবে।
.
ভয়ের ব্যাপার হলো, পৃথিবীতে যতো ব্লুটুথ সাপোর্টেড ডিভাইস আছে, ঠিক ততগুলা ডিভাইসেই এই Attack করা পসিবল ১০০% ।
.
এন্ড্রয়েড বলেন, জাবা বলেন, পিসি বলেন, ল্যাপটপ বলেন বা, যে ডিভাইসে ব্লুটুথ আছে, সে ডিভাইসেই এই BlueBorne Attack এর মাধ্যমে একসেস নেয়া পসিবল😊
.
তারপর হ্যাকার আপনার মোবাইলের সবকিছু কনট্রল করতে পারবে। মেসেজ, কল, পিক, ভিডিও, কল লিস্ট,ফেসবুক etc...
.
মানে আপনি আপনার ডিভাইস দিয়ে যা যা করতে পারেন, হ্যাকার ও তা করতে পারবে।
.
তবে ডেইলি মেইল এর তথ্য অনুযায়ী, আশার ব্যাপার হলো,
পৃথিবীর সব IT device কোম্পানি ইতোমধ্যেই তাদের ডিভাইসের এ বাগটা শুধরানোর পদ্ধতি বের করতে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে, এবং অতি শীঘ্রই এই ব্যাপারে কোনো সুফল নিয়ে আসছে।
.
তবে আমাদের উচিৎ, সতর্কতার সহিত মোবাইল ফোন ইউজ করা এবং ব্লুটুথ এর কাজ শেষে খেয়াল করে ব্লুটুথ টা অফ করে দেওয়া। কারণ, একটু বেখেয়ালিপনাই বা আলস্যতা আপনাকে প্রচুর কাদাঁতে পারে।
______________________
নীল সাগর
facebook.com/neel.siu
facebook.com/sagortimes.page
twitter.com/sagortimes
instagram.com/sagortimes

mail : sagortimes.mail@gmail.com
www.sagor.info

এই ব্লগে প্রকাশিত : মার্চ ২৫ ২০১৮


Saturday, March 10, 2018

[ নোট ] যে কথাগুলা মুখে বলতে পারি না [ প্রতিনিয়ত আপডেট হয় ]

March 10, 2018

১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
আজ অনার্স ১ম বর্ষ এর ১ম সেমিষ্টার এর শেষ পরীক্ষা ( বাংলা সাহিত্য ) ছিলো। কিন্তু পরীক্ষার ১ ঘন্টার সময় আমি পেছন থেকে দেখাদেখি করার অপরাধে স্যার আমাকে ক্লাস থেকে বের করে দেন এবং আমার পেপার নিয়ে নেন। আসলে আমি স্যারকে সরি বলতে চাই প্রথমে, এবং স্যারকে এটাও বলতে চাই, 'বাংলা পরীক্ষা ছিলো স্যার, পেপার টা নেওয়ার পর কিছুক্ষণ রেখে আমাকে সাজা দিয়ে হয়তবা আবার লেখার সুযোগ দিলে আমি ভালো লিখতে পারতাম'... কি আর করার, যা হওয়ার ত হয়ে গেছে... ৫০ এর মধ্যে ২৫ মার্ক এন্সার করেছি তখন... আচ্ছা যাই হোক, আমি সর‍্যি স্যার, দেখাদেখি করার জন্য ! মাফ করবেন ! 

Thursday, March 8, 2018

ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচারে গার্ড চালু করার নিয়ম এবং এর সুবিধা

March 08, 2018

ফেসবুকের নতুন ফিচার অনুযায়ী আপনার প্রোফাইল পিকচারে গার্ড ( নিরাপত্তা ) চালু করতে পারবেন। এটা প্রথমে ভারতে চালু হলেও স্বাভাবিক ভাবে বাংলাদেশের অনেকেই এই ফিচার টি চালু করতে পারছেন না।
.
তাদের জন্য আমার এই ব্লগ পোষ্টটি। সম্পূর্ণ পোষ্টটি মনযোগ দিয়ে পড়লে আপনিও পারবেন আপনার প্রোফাইল পিকচারে গার্ড চালু করতে।
.
প্রথমে আসা যাক এর সুবিধা নিয়ে কিছু কথা... প্রোফাইল পিকচারে গার্ড চালু করলে অন্য কোন ফেসবুক ইউজার আপনার প্রোফাইল পিকচার স্বাভাবিক ভাবে ( ফুল রেজুলেশন এ ) ডাউনলোড করতে পারবে না। ( ফেসবুক এপ থেকে ডাউনলোড অসম্ভব ) । এবং এর অন্য আরেকটি সুবিধা হচ্ছে, কেউ আপনার প্রোফাইল পিকচার অন্য কোন আইডিতে ইউজ করলে সেটা ফেসবুক ধরে ফেলবে এবং সেটা ফেসবুক থেকে অটোমেটিক ডিলিট করে দেওয়া হবে।
.
এবার চলুন প্রোফাইল পিক গার্ড চালু করার প্রক্রিয়া দেখে আসি...
.
প্রথমে আপনার ফেসবুক আইডিতে লগইন করে, 'Edit Profile' এ ক্লিক করবেন।
.
নিচের দিকে আপনার জেন্ডার ( Gender ) - এ Edit অপশন এ ক্লিক করবেন এবং আপনার Gender একটু সময় এর জন্য চেঞ্জ করবেন। মানে Gender যদি Male থাকে, তাহলে সেটা Female করবেন এবং Gender যদি Female থাকে, তাহলে সেটা Male করে 'Save' করে দিবেন।
.
তারপর নিজের প্রোফাইলের Timeline এ গেলেই প্রোফাইল পিকচারে গার্ড চালু করার অপশন পাবেন।
.
গার্ড অন করেই, আবার আপনি আপনার জেন্ডার টা ঠিক করে চলে আসবেন। গার্ড থাকবে।
.
উল্ল্যেখ্য যে, মেয়েদের ক্ষেত্রে Gender চেঞ্জ করার প্রয়োজন পরে না সাধারণত ! তারা কোন ব্রাউজার ( UC Browser, Chrome Browser ) থেকে ফেসবুক আইডিতে লগইন করে, নিজের প্রোফাইল পিকচারে ক্লিক করলে 'Turn On Profile Picture Guard ' লিখা পাবেন এবং গার্ড চালু করতে পারবেন।
.
তবে ছেলেরা যাদের প্রোফাইল পিকচার গার্ড চালু করতে পারেন নাই, তারা একটু সময়ের জন্য হলেও জেন্ডার চেঞ্জ করে এই ফিচার টি ব্যবহার করতে পারবেন।

.

আমার পোষ্টটি সম্পূর্ণ মনযোগ দিয়ে পড়লে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলে প্রোফাইল পিকচার গার্ড চালু করতে পারবেন, এতেও না পারলে কম্যান্ট বক্স এ কম্যান্ট করুন। সমাধান দেওয়া হবে।



------------------------------
নীল সাগর

facebook.com/sagortimes

facebook.com/sagortimes.page

twitter.com/sagortimes

instagram.com/sagortimes

mail : sagortimes.mail@gmail.com

এই ব্লগে প্রকাশিত : মার্চ ৮ ২০১৮


#sagortimes


Tuesday, March 6, 2018

প্রচন্ড মন খারাপ নিয়ে একটি পরীক্ষা যেমন ছিলো

March 06, 2018


অনার্স ১ম বর্ষ এর ১ম সেমিষ্টার এর সেমিষ্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে... ৫ টি বিষয়ের মধ্যে ৩ টি বিষয়ের পরীক্ষা দেওয়া শেষ... ইংলিশ লিটারেচার আর বাংলা সাহিত্য এই দুইটা পরীক্ষা দেওয়ার বাকি...
.
প্রচন্ড মন খারাপ টা শুরু হয়েছিলো ৫ মার্চ রাত্রে... পরীক্ষার প্রস্তুতি চেক করার সময় যখন লিটারেচার বইটা খুললাম... মাথায় তখন আকাশ ভেংগে পরলো... সাজেশন ছিলো, কিন্তু তাও সবকিছু নতুন মনে হয়েছিলো... কারণ এর আগে আমি পড়ি নাই ঠিকমত...
.
এর আগে যতগুলা এক্সাম দিয়েছিলাম... সেগুলা মোটামুটি রকম হয়েছে... কিন্তু, এখন যে ইংলিশ লিটারেচার... এখানে বানিয়ে লেখার কোন সুযোগ নেই... কারণ, ইংলিশ প্যারাগ্রাফ, লেটার বা অন্য যা কিছুতেই নিজের ক্রিয়েটিভিটি প্রকাশ করলেও, ইংলিশ সাহিত্য - তো আর বানানো যায় না... যা জানা, তা ই লিখতে হবে...
.
তো, প্রচন্ড মন খারাপ নিয়ে, যখন কবিতা গুলা পড়তেছিলাম... খুব অসহ্য লাগতেছিলো... আর ভিতরে প্রায় কান্না চলে আসছিলো এইটা ভেবে যে, 'কেন আগে পড়িনাই' !!
.
১১ টার দিকে বাসায় কথা বলার পর, হাল্কা খাবার খেয়ে মন খারাপ নিয়ে ঘুমায়া গেলাম... ভাবলাম ঘুমালে হয়ত সব ঠিক হবে... এই কথাটা অন্য একজন অবশ্য সাজেষ্ট করছিলো, যে, 'ঘুম দিলে সব মন খারাপ ঠিক হয়ে যাবে' !! এইটা ভেবে ঘুমায়া গেলাম...
.
৬ মার্চ ২০১৮

সকালে ঘুম থেকে উঠেও খেয়াল করলাম মন তো ভালো হয় না... ছাদে গেলাম... গোসল করলাম... তাও মন ভালো হয় না...
.
বইটা খুলে একটু পড়লাম কবিতার সামারি গুলা... কিন্তু পরীক্ষায় কি লিখব, এই টেনশনে মন ভালো হয় না...
.
কম্পিউটার অন করে, ইউটিউব থেকে গান শুনতেছি মন ভালো করার জন্য... কিন্তু কোনভাবেই মন ভালো হয় নাই...
.
এসব করতে করতে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ১০:১০ এর দিকে ভার্সিটি গেলাম... এক্সাম হল এ গেলাম... প্রশ্ন আসার পর মন ভালো কি না খারাপ, এইটা ভাবার সময় ছিলো না...
.
দেখলাম, ৪ টা প্রশ্ন এর মাঝে ১ টা প্রশ্ন কমন...
তো, এই কমন প্রশ্নটা লিখতে গিয়ে এমন লিখা লিখলাম যে, মার্ক এর চাইতে বেশি বড় এন্সার করে ফেলছি...
.
তারপর আর কি করার... এক্সাম হল এ মাথা ঘুরালাম... দেখলাম সবাই লিখতেছে মনযোগী হয়ে...
...
নিজের উপর খুব রাগ হলো...
..
তারপর আবার ভালো করে সব প্রশ্ন দেখলাম... প্রশ্ন টা বুঝে আরো ২ টা প্রশ্নের এন্সার করে এক্সাম শেষ করলাম...
....
সবকিছু মিলিয়ে এক্সাম টা খুব খারাপ হইছে... পড়লে হয়ত ভালো করা যেতো...
...
সব মিলিয়ে দিনটি খুব একটা ভালো যায় নাই...


[ আপডেট আসছে ]


Sunday, November 19, 2017

আমার জন্মদিন, শুভেচ্ছা বার্তা এবং মূল্যবোধ !

November 19, 2017
১৯ নভেম্বর ২০১৭ ! বেঁচে যেহেতু আছি, তাই মানতেই হবে জীবন থেকে আরো একটি বছর অতিক্রম হলো।
১৭ তারিখ, রাজিব, যাদু, সন্টু আমার মেস এ যাওয়ার পর, ১৮ তারিখ আমরা সবাই একসাথে শাহজালাল ভার্সিটি ( সাস্ট ) এর এডমিশন টেষ্ট এ বিভীষিকা ময় একটা এক্সাম দেই। তারপর ওদের প্ল্যান ছিলো অই রাতে ১২ টার সময় কেক কেটে আমার জন্মদিন সেলিব্রেট করা। কিন্তু বাসা থেকে মা ফোন দিয়ে বললেন, বাসায় আসতে, তাই আবার সবকিছু তাড়াহুড়ো করে গুছিয়ে নিয়ে সন্ধার দিকে বাসায় চলে আসলাম। সবাই একসাথেই আসলাম।

জন্মদিনের কেক কাটার আগ মুহূর্ত : বা থেকে : সন্টু, তুষার,আমি, আমার পিছনে জন, রাজিব, যাদু এবং অর্জুন
...
বাসায় আসতে আসতে রাত সাড়ে ৯ টা বাজলো। তারপর স্নান করে রাত ১০:৩০ এর দিকে সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া করলাম। তারপর বাব মা, বোন এর সাথে আধা ঘন্টা গল্প করে রাত ১১ টার দিকে বোনের ল্যাপটপ টা চালু করে গান শুনতেছিলাম।
জন ( John) এর অসাধারণ সুন্দর হাসিতে আমি এবং আমরা
...
রাত ১২:০৬ এ ফেসবুকে লগইন করে দেখলাম হাসান নামের একটা কলেজ ফ্রেন্ড আমার টাইমলাইনে জন্মদিনের উইশ করছে। তো তখন ই মনে হইলো যে, আমার জীবনের আরেকটি বছরের সূচনা হইছে 😛
...
রাজিব'কে কেক খাইয়ে দেওয়ার মুহূর্ত !  
...
তারপর আরো কয়েকজন ফেসবুকে ইনবক্স করে উইশ করলো। আরো কয়েকজন করলো টাইমলাইনে।
তো তাদের রিপ্লে দিতে গিয়ে কিছু সময় অতিক্রম করার পর আমার ফোনে কথা বলার মোবাইল টা হাতে নেওয়ার পর ৭ টা আনরিড মেসেজ ( Unread Message ) এর নোটিশ দেখাচ্ছে...
...
একের পর এক ইনবক্স গুলা চেক করতে গিয়ে দেখলাম, খুব কাছের প্রিয় ৩-৪ জন এর জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা ও আছে। খুব ভালো লাগলো। প্রথমদিকের মেসেজগুলার ব্যবধান ছিলো এমন, ১২:০১, ১২:০৩, ১২:০৫.....
...
তারপর আবার ফেসবুকে এসে মেসেঞ্জারে গিয়ে কিছুক্ষণ চ্যাট করে, শুভেচ্ছার্থীদের ধন্যবাদ দিতে দিতে ঘুমায়া গেলাম।
...
ঘুম থেকে উঠলাম সকাল ১০:৪০ এর দিকে... উঠার পর বোন প্রথমে উইশ করলো, যদিও এর আগে রাতেও ফেসবুকে করছিলো... 😛 তারপর বিছানা থেকে মা'রে ডাকতেছিলাম... বাট তারপর মনে হলো মা তো পিএসসি পরীক্ষার ডিউটিতে চলে গেছেন....
...
আবারো ফেসবুকে লগইন করলাম... অনেক শুভেচ্ছা বার্তা পেলাম... টাইমলাইন পোষ্ট পেলাম.... এমনকি কয়েকজন এর ডেডিকেটেড স্ট্যাটাসও পেলাম...
...
ডিউটি থেকে ফিরে মা উইশ করলেন... সন্ধ্যায় বের হবার পর রাজিব, যাদু এবং অন্যান্য ফ্রেন্ডরা কেক নিয়ে রেডি ছিলো সেলিব্রেট করার জন্য... কেকে কেটে খাওয়া দাওয়া হলো...
...
এন্ড সেলিব্রেশন সারপ্রাইজ টা দেওয়ার জন্য, রাজিব, যাদু এবং সবাইরে অনেক অনেক থেংক্স :)
... এবং আমার এক ভাতিজি আছে, যে কিনা জন্মদিন আসার আগেই আমারে গিফট দিয়ে দিছিলো... তার উদ্দ্যেশ্যে বলতেছি, গিফট খুব পছন্দ হইছে, থেংক্স এগেইন !
...
জন্মদিন তো চলেই গেলো... নিজস্ব নতুন বছর শুরো হলো...
কেউ যদি উইশ না করতো, তাও বেঁচে থাকতাম... এমনকি কেউ উইশ করেছে বলেও এখনো বেঁচেই আছি...
...
কিন্তু কিছু জিনিষ মনে হইতেছে এখন... যে,
আমার ঠিক মনে আছে,
একটা বন্ধুর জন্মদিনের সময়, একা একা কেক কিনে নিয়ে ওর জন্মদিন সেলিব্রেট করছিলাম... সে বন্ধুটা উইশ ই করেনি... যদিও যোগাযোগ নাই অনেকদিন...
...
আরেকটা বন্ধুর জন্মদিনে, কয়েকজন মিলে সেলিব্রেট করে নিজেদের খরচে খাওয়া দাওয়া করেছিলাম... সে বন্ধুটা আজ নাম ভুলে গিয়ে, আমার জন্মদিনের তারিখটাও হয়ত ভুলে গিয়েছে...
...
আমি কলেজে পড়াকালীন প্রচুর রাত জাগতাম.... তাই একটা বন্ধুর রিকোয়েস্ট এ, ওরে সকাল ৫ টার দিকে ডেকে দিতাম... তারপর আমি ঘুমাইতাম... প্রায়ই এমন হয়েছে... সে বন্ধুটা আজ বন্ধু তালিকার বাইরে থাকলেও, এমন কিছুই হয় নি যে, বন্ধু আমারে এমনভাবে ভুলে যাবে, সেটা কল্পনাতীত ছিলো...
সেও উইশ করেনি :)
...
এরকম অনেক নামেমাত্র কাছের বন্ধুবান্ধব এর কাছে আমি অনেক দূরের জনগন... তাই ইতিহাস লম্বা করলাম না...
...
আত্মীয় স্বজন প্রায় সবাই ই আছে ফ্রেন্ডলিষ্ট এ... কাছের এবং দূরের আত্মীয় :)
তাদের অনেকের ব্যবহারও চোখে পরার মত ছিলো... তবে এই বিষয়টা আমি ক্লিয়ার যে, আমার নিজের অবস্থান অনুযায়ী আমি বিবেচ্য ! জীবনে কিছু করতে পারিনাই, তাই তাদের কাছে আমি একটু.... না থাক ! দেখি কি হয়......
...
যে মানুষটা সারাদিন ভাই ভাই বলে চিল্লাইছে, দিনে ৩ বার সাহায্যের জন অনুরোধ করছে...
যে মানুষটারে আমি ব্লক দেওয়ার পর ফোন করে কারণ জানতে চাইছে...
যে মানুষটা আমারে ইউজ কইরা খুশি ছিলো...
যে মানুষটার জন্মদিনে আমি ডেডিকেটেড স্ট্যটাস দিয়ে মন থেকে মঙ্গল কামনা করছিলাম...
... উল্লেখিত প্রতিটা মানুষের কাছে আমি আউট অফ নেটওয়ার্ক ছিলাম... তাই এমন হয়েছে...
যদিও এতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না.... কিচ্ছু না...
শুধু মানুষগুলো সম্পর্কিত স্পষ্ট ধারণা হলো...
...
যাইহোক আজকের লেখাটা অনেক বড় করে বিরক্তিকর করে ফেলছি হয়তবা... তাই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি !
... তবে সবশেষে জন্মদিনটি অসম্ভব ভালো ছিলো সবকিছু মিলিয়ে !
সৃষ্টিকর্তা, এবং ওয়েল উইশারসদের অসংখ্য ধন্যবাদ দিনটিকে সুন্দরভাবে উপহার দেয়ার জন্য :)
...
সবকিছুর পর বলা যেতেই পারে,
শুভ জন্মদিন সাগর :)
...
ছোটখাটো সেলিব্রেশন এর মুহূর্ত টা যেনো আজীবন মনে থাকে... তাই খারাপ কোয়ালিটি এর ছবিগুলাও আপলোড দিলাম...
...
যাদু সাথে

কেক নিচ্ছে জন (John)

পাপন ভাই, ওরফে তুষার

অর্জুন এর সাথে

সন্টু কেক খাওয়াই দিতেছে

রাজিব খাওয়াই দিতেছে

উল্লেখ্য, এই ব্লগের জন্য একটা প্রিমিয়াম ডোমেইন নিলাম... এখন থেকে এই ঠিকানায় সরাসরি ব্রাউজ করে ব্লগ গুলো পড়তে পারেন...
ঠিকানা : www.sagor.info
 ____________________________

নীল সাগর
facebook.com/sagortimes
facebook.com/sagortimes.page
twitter.com/sagortimes
instagram.com/sagortimes

mail : sagortimes.mail@gmail.com
www.sagor.info

এই ব্লগে প্রকাশিত : নভেম্বর ২০ : ২০১৭


Friday, October 13, 2017

ফেসবুক এর ডিলেট হয়ে যাওয়া সকল ইনফরমেশন ফিরে পাবেন যেভাবে

October 13, 2017
প্রক্রিয়াটি অধিকাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী ই জানেন না। তাই ভাবলাম এ নিয়ে একটা ব্লগ আমার সাইটে লিখে আসা যাক, যদি কারো কখনো উপকার হয়। বিষয়বস্তু বুঝার জন্য আপনাকে মনযোগ দিয়ে পড়তে হবে A-Z পর্যন্ত। একবার না বুঝলে আরেকবার পড়ুন। সাথে সাথে প্রাকটিকাল করুন। পারবেন ই পারবেন, আপনার ডিলিট হয়ে যাওয়া সকল ডাটা ফিরিয়ে আনতে। 😍

না বুঝলে আমাকে ফেসবুকে নক দিন অথবা মেইল করুন, আশাকরি দ্রুত রেস্পন্স পাবেন।

facebook.com/sagortimes
facebook.com/sagortimes.page
mail : sagortimes.mail@gmail.com

• ফেসবুক থেকে ডিলিট হয়ে যাওয়া মেসেজ, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায়। আসল কথা হলো এটা ফেসবুকেরই একটা অংশ যা অনেকেই জানেন না।

 • আমরা অনেক সময় ইচ্ছায় অথবা ভুল করে অনেক ছবি, মেসেজ বা অন্য কিছু ডিলিট করে ফেলি। যেহেতু ফেসবুকে কোন Undo অপশন নেই তাই ডিলিট হয়ে গেলে তা আমরা সারা জীবনের জন্যই হারিয়ে ফেলি।

• একটু ওয়েট, একটা গোপন কথা বলি “আপনার কোন কিছুই হারায়নি” কারন আপনি যখন কোন কিছু ফেসবুকে থেকে ডিলিট করেন তখন সেটি ফেসবুকের Archive এ জমা থাকে 😍😍

 • খুব সহজেই সেখান থেকে ফ্রি ডাউনলোড করে নিতে পারেন 😍  যেভাবে ফিরিয়ে আনবেনঃ   • প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে ফেসবুকের Settings থেকে General অপশনে।

• General Settings ওপেন হওয়ার পর নিচের দিকে দেখতে পারবেন 'Download a copy of your Facebook data' -  এটিতে ক্লিক করুন।

• Download Your Information নামে একটা পেজ আসবে।  ''সেখানে আপনি দেখতে পাবেন 'Start My Archive' ক্লিক করলে ফেসবুক সিকুরিটির জন্য আপনার কাছে আইডি ও পাসওয়ার্ড জানতে চাইবে''

• ভাবে আইডি পাসওয়ার্ড দিন •

• আইডির পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর Submit এ ক্লিক করুন।

 • পরবর্তিতে একটি Download Link দেখতে পারবেন। কিছু সময় পরে (অনেক সময় ২৪ ঘন্টা সময় লাগতে পারে)

 • আপনার সকল ডাটা আপনার ইমেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে,  যে ইমেইলটি আপনি ফেসবুক একটাউন্ট করতে ব্যবহার করেছিলেন।

• আপনার Email চেক করুন। দেখবেন ফেসবুক থেকে একটি ইমেইল আসবে সেখানে ডাউনলোড লিংক দেওয়া থাকবে।  • লিংকে ক্লিক করে 'Download Archive' থেকে আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

• এখানে ডাউনলোড করার সময় পাসওয়ার্ড চাইবে •

• ফাইলটি ডাউনলোড করার পরে একটা Zip ফইল পাবেন, ফাইলটি মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে Extrace All করুন। ( যারা মোবাইল দিয়ে করবেন, তারা ZArchive এপ্স দিয়ে, Extract করুন ) 

• আনজিপ করার পর আপনার মেসেজ, ভিডিও, ছবি,  পোক, ফ্রেন্ডলিষ্ট ইত্যাদি দেখতে পারবেন।

  ••• উক্ত প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র পিসি ইউজার দের জন্য, তবে যারা মোবাইল দিয়ে করতে চান, তারা Puffin Browser ইউজ করে, [ Show desktop View ] প্রক্রিয়াটি একইভাবে সম্পন্ন করতে পারেন •••

 ____________________________

 নীল সাগর

facebook.com/sagortimes

facebook.com/sagortimes.page

twitter.com/sagortimes

instagram.com/sagortimes

mail : sagortimes.mail@gmail.com

এই ব্লগে প্রকাশিত : অক্টোবর ১৪ ২০১৭ 

Tuesday, September 19, 2017

আগের দিন আর নাই...

September 19, 2017
একটা সময় ছিলো দূর্গা পূজা মানে প্রায় ৩ মাস আগে থেকে দিন গুনা, সাথে মিনিমাম ১ মাস আগে থেকেই অগুছালো প্রিপারেশন নেওয়া। যেইগুলা এখন মনে হলে হাসিও আসে, আবার খারাপও লাগে যে, এগুলা এখন চাইলেও চিন্তা করতে পারি না।

নতুন শার্ট - প্যান্ট - জুতা কেনার যে আগ্রহ ছিলো বা চাহিদা ছিলো, সেই দুটোর কোনটাই এখন আর নাই। নাই, কোথাও যাওয়ার প্ল্যানিংওও...

আজ সেপ্টেম্বর এর ১৯ তারিখ। আর মাত্র ৫ দিন পরে পূজো শুরু হবে। এখনো স্বাভাবিক ই আছি। কোথাও মূর্তি দেখতে যাই নাই। তবে কাজের কাজ একটাই করছি, যেহেতু ইদানীং আমার স্বাস্থ্য বাড়ছে, সেই কারণে আমার শার্ট প্যান্ট গুলা ছোট হয়ে গেছে, মানে আমি মোটা হয়ে গেছি 😜 সেইজন্য কয়েকটা শার্ট আর টি শার্ট কিনতে হলো। আর পূজার আগে কয়েকটা প্যান্ট কিনতে হতে পারে। অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা 😃😃
ডিগ্রী কলেজে এর স্মৃতি থেকে : ডান থেকে, মানিক, পিংকু, রাজিব আর আমি


মেস এ-ই আছি। বাসায় যাওয়ার প্ল্যান নাই। বাসা থেকেও জোড় দিয়ে যাইতে বলতেছেন না, বা ওখানকার বন্ধু বান্ধব যারা আছে, তারাও যোগাযোগ করে নাই। তারাও ব্যস্ত তাদের পাড়া'র পূজো নিয়ে। সেখানে আমি সাগর দুর্দিন এর সহযোগী ! সুদিন এ থাকার প্রশ্নও আসে না ☺

যাইহোক, এগুলা নিয়া মাথা ব্যাথা নেই। জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে চলতে হয়। চলতে হবেও।

তবে ইদানীং আমিও যেমন কাউকে নক করি না, প্রায় বন্ধুবান্ধব ও আমাকে নক করে না (স্বাভাবিক ই)
... দোষটা আমার ই ! সবার থেকে সরায়া নিতেছি নিজেরে ! অই যে, কম বয়সে আত্মসম্মান বোধ টা বেশি চলে আসছে, সেটাই সমস্যা !!
রাজিব এর ফোন এর ট্রিট : রাজিব - জাদু : আর আমি সহ দীপন 

খুব মিস করি, এইতো ৪ বছর আগে থেকে জগন্নাথ দেবের আখড়ায় নিয়মিত সন্ধ্যা আরতীতে অংশগ্রহণ টা ! ১ বার ত পুরষ্কারো পেয়েছিলাম ! আর বাকি সব বার বোধ হয়, শান্তনা পুরষ্কার পেয়েছিয়ালাম 😃
বরাবর ই বেশিরভাগ সময়, প্রতিযোগীতায় আমার ফলাফল 'শুন্য'
... সে যাই হোক না কেনো, এগুলা খুব খুব বেশি মিস করি !

গভীর রাত এখন, হঠাত দেখলাম কে জানি ফেসবুকে পোষ্ট দিছে যে, 'শুভ মহালয়া'
...
হঠাত অতীতের কথা গুলা খুব মনে পড়লো। ভাবলাম তাইলে কিছু কথা ব্লগ এ লিখে আসি। কখনো আমি না থাকলেও, বর্তমান সময়ের আমার অনুভূতি গুলোতো থাকবে ! অন্তত কারো জন্যে হলেও !!
...
এই ব্লগ যেহেতু নিজস্ব, তাই নিজস্ব ভাবেই লিখার চেষ্টা করি ! অনেক অগুছালো, তাও চেষ্টা করি অন্তরের কথাগুলোকে লিখে রাখার !

জানিনা এই পূজো কেমন যাবে। ভালো যাক সবার, ভালো কাটুক আমার ! এই কামনা রইলো...
... যদি বন্ধুবান্ধব রা আগের দিন এর মতো নাও থাকে পাশে !!


____________________________

নীল সাগর
facebook.com/sagortimes
twitter.com/sagortimes
instagram.com/sagortimes
এই ব্লগে প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১৯ ২০১৭

Thursday, September 7, 2017

কম্পিউটার সাইন্স এর ভবিষ্যৎ !

September 07, 2017


এইচএসসি পরীক্ষা শেষে ফলও বেরিয়ে গেছে। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পালা। আর বাংলাদেশে যেহেতু তথ্য প্রযুক্তি বেশ জনপ্রিয়, তাই নিজের ইচ্ছায় হোক বা অন্যের প্রভাবে, অনেকেই কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে চায়। অনেক জায়গায় কম্পিউটার সায়েন্স, কোথাও আবার কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং, কোথাও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং – কিন্তু সিলেবাস কাছাকাছিই। আর দেশের মোটামুটি সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই বিভাগটি রয়েছে। এখন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটু জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হয়। সেজন্যই আমার এই লেখা।

কম্পিউটার সায়েন্স একটা অদ্ভুত বিষয়। বাংলাদেশে এই বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করার পরে কেউ কেউ সরাসরি গুগল, ফেসবুক, অ্যামাজন, মাইক্রোসফটে চলে যায়। এছাড়াও এশিয়া ও ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন কোম্পানীতেও যায়। এসব জায়গায় একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটের বেতন হয় জায়গাভেদে তিন থেকে সাত লক্ষ টাকা! তাহলে তো সবারই সিএসই পড়া উচিত। কিন্তু আসলে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পাশ করার পরে দশ হাজার টাকা বেতনের চাকরি জোটাতেই হিমশিম খায়, গুগল-ফেসবুক তো অনেক দূরের কথা। দেশের মধ্যেও যারা চাকরি পায়, তাদের কারো কারো বেতন শুরুতে ৫০-৬০ হাজার টাকা। আর কারো কারো বেতন ১০-১৫ হাজার টাকা। এর কারণ কী? এত বৈষম্য কেন? সবই কি মামা-চাচার জোর?

কারণটা হচ্ছে দক্ষতা। কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে যারা খুব শীর্ষস্থানীয় ছাত্রছাত্রী, তারা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়, কিন্তু এরকম তো হাতে গোণা। বাকীদের জন্য কিন্তু সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া ছাড়া আর খুব ভালো অপশন নাই। যদিও আরো কিছু ক্যারিয়ার রয়েছে, কিন্তু এটাই প্রধান অপশন। তো এই কাজ করার জন্য প্রোগ্রামিং জানা লাগে। আর প্রোগ্রামিংটা ঠিক অন্য লেখাপড়ার মতো নয়, যে খালি পড়ে গেলাম, শিখে ফেললাম। এটা হচ্ছে একটা দক্ষতা, যেটা শিখতে হয়, করতে পারতে হয়। আবার এটা ঠিক ইট ভাঙ্গার মতো দক্ষতাও নয়, এখানে লেখাপড়া লাগে, যুক্তি-বুদ্ধি-বিশ্লেষণ লাগে। তো অসুবিধা কী? আমরা প্রোগ্রামিং শিখে ফেলবো। কিন্তু শিখতে পারবা না, কেন, সেটা বলছি।

প্রোগ্রামিং শিখতে পরিশ্রম করা লাগে – পড়া এবং প্র্যাকটিস করা। আর এই প্র্যাকটিস করার জন্য আবার মাথাও খাটাতে হয়, এটা কিন্তু দেখে দেখে টাইপ করা ধরণের প্র্যাকটিস না। মাঝে-মধ্যে অজানা সমস্যা চিন্তা করে সমাধান করতে হয়। প্রোগ্রামিং শেখার সময় একটা ছোট সমস্যার সমাধান করতে ৪-৫ ঘণ্টা লেগে যায়। তো আমরা কিন্তু ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু করে এইচএসসি পর্যন্ত মোটামুটি মুখস্থ করেই পার করে এসেছি। বড়জোর কিছু অঙ্ক হয়তো বোঝার চেষ্টা করেছি। আমাদের কখনওই একটা প্রবলেম করার জন্য ৪-৫ ঘণ্টা সময় দেয়া লাগে নাই। আশা করি, বিষয়টা পরিষ্কার। এখন কথা হচ্ছে, সময় দেওয়া লাগলে দিবো, যত পরিশ্রম করার দরকার করবো, টিচারের সাহায্য নিবো। কথা কিন্তু এখানেই।

প্রথমত, টিচারের সাহায্যের আশা ছেড়ে দাও। বেশিরভাগ জায়গাতেই ভালো টিচার নাই। কারণ প্রোগ্রামিংয়ে যারা খুব ভালো, হাতোগোণা কয়েকজন বাদে কেউ আসলে বাংলাদেশে শিক্ষকতা করে না। তাই আমি অনেকের কাছেই শুনি, ক্লাসে টিচার ঠিকমতো প্রোগ্রামিং বুঝাতে পারে না। চাকরির ইন্টারভিউ যে নিবে, সে তো এটা শুনে বলবে, “তাতে আমার কী?” এখন তুমি ভাবতে পারো, প্রোগ্রামিং তো নিজের চেষ্টাতেও শেখা যায়। আমি নিজে চেষ্টা করে শিখবো। সেটাও হবে না, কেন, জানতে হলে এই লেখার বাকী অংশ পড়।

আসলে, প্রোগ্রামিংয়ের পেছনে তুমি সময় দিতে পারবা না। তোমার ভার্সিটির ক্লাস করা লাগে, আর ঢাকায় থাকলে তো আবার রাস্তা-ঘাটেও অনেক সময় ব্যায় হয়। এছাড়া আমরা সামাজিক জীব, বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়স্বজন আছে। কত রকমের প্রোগ্রামে যাওয়া লাগে। এদিকে আবার রাতের বেলায় প্রিমিয়ার লীগ, লা লিগা, উয়েফা – কতকিছু। আর ক্রিকেট খেলা তো আছেই – না দেখলে পাপ হয়। তারপরে আছে কত রকমের সিরিয়াল, গেম অব থ্রোনস, হেন-তেন, না দেখলে সমাজে মান থাকে না। এত কিছুর পরে আবার আছে মোবাইল, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি। আমি তো নোটিফিকেশনের কাছে যাই না, নোটিফিকেশন আমার কাছে আসে! এজন্যই বলি, সময় দিতে পারবা না। আর পরিশ্রমও করতে পারবা না, সময় দিতে পারলেই না পরিশ্রম করবা। সুতরাং সময় থাকতে নিজের ভালো বুঝে নাও। কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে বেকার থাকার চেয়ে অন্য কিছু কর।

আর কম্পিউটার সায়েন্স কিন্তু অনেক বোঝার বিষয়। যাদের গণিতের সাধারণ বিষয়গুলো বুঝতেই সমস্যা হয়, তাদের আসলে এই দিকে না আসাই ভালো।

যারা আমার কথায় এখনও একমত হও নাই, তারা আমার লেখা প্রোগ্রামিং শেখার একটা বই আছে, (http://cpbook.subeen.com-এ গিয়ে ফ্রি-তে বইটা পড়া যায়)। সেই বইটা কিছুদিন পড়। যদি মনে হয়, এই জিনিস নিয়া আগামী চার বছর ব্যাপক খাটাখাটনি করতে পারবা এবং আগামী ২০-৩০ বছর এইরকম বিদঘুটে জিনিসকেই নিজের পেশা হিসেবে নিতে

সোর্স : subeen.com
____________________________
নীল সাগর
facebook.com/sagortimes
twitter.com/sagortimes
instagram.com/sagortimes
এই ব্লগে প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ৭ ২০১৭

Sunday, August 20, 2017

এখানে কেউ কখনোই ডাকতে আসবে না !

August 20, 2017



একজন মেস সদস্য হিসেবে আমি যেভাবে ইচ্ছে চলতে পারি। বিশেষ কোন কারণ ছাড়া কেউ এসে কথা বলবে না। সবাই সবার ব্যাস্ত সময় পার করবে। মেস এর নিয়ম বহির্ভূত কাজ না করলে, কেউ কোন প্রশ্নও করবে না।
তখন কলেজ জীবন এর ১ম বর্ষ প্রায় শেষ হতে চলেছে। যেকোন কারণেই আমি কলেজ ক্লাশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকলাম। সপ্তাহে ১-২ দিন কলেজ যাওয়ার প্রচুর চেষ্টা করতাম। কিন্তু, অধিকাংশ সপ্তাহগুলা ব্যার্থ ছিলো। কারণ টা আমি নিজেই, মানে আমার ঘুম !
.
অজয় ভাই ( অনার্স ১ম বর্ষ : ২০১৬) ছিলেন আমার একমাত্র রুমমেট। মানুষ হিসেবে খুব দারুণ। কখনোই ভুলার মত নয় উনাকে। মাঝে মাঝে জ্ঞান দিতেন বা লেখাপড়া এর গুরুত্ব বা কলেজে ক্লাশ করার বেনিফিট সম্পর্কিত কিছু কথা বুঝাতেন। কিন্তু আজকের এর দুনিয়ায় নিজের দেখাশুনা করার টাইম পায় না মানুষ, উনি আমাকে আর কত-ই বা দেখাশুনা করতে পারতেন !!
.
তো, রাতজাগা টা আমার এমন ছিলো যে, অকারণেই চ্যাটিং / গেমিং করতে করতেই ভোর রাত ৪-৫ টা বেজে যেতো। তখন ঘুমাতাম। স্বাভাবিকভাবেই আমি একটু বেশিই ঘুমাই, সেটা কখনো ১১-১২ ঘন্টাও হয়ে যেতো !  এমনিতে ত ৮-৯ ঘন্টা অবশ্যই ঘুম দিতাম !
.
সে যাই হোক, তখন কলেজে ক্লাশ ছিলো সকাল ৯ টায় ! অথচ আমি ঘুম থেকে উঠতাম দুপুর ১ টার পরে...  কখনো ৪ টার আগে !!
.
ঘুম থেকে উঠে ফোনের ডাটা অন করে আরো কিছুসময় চ্যাট করে বা গেম খেলে, ব্রাশ করে গোসল করে আসতাম।  এসে ঠান্ডা খাবার খাইতাম। বুঝেন ই তো, সবার শেষ এ যা থাকে, তা পেতাম... এবং সেগুলাই খাইতাম !  মেস এ এসে খাবার এর মানের নিকৃষ্টতা দেখে অবশ্য রুচি কমে গিয়েছিলো তখন !!
.
তো, এমনভাবে চলতে থাকায় কোচিং / প্রাইভেট এর কত্ত আনাগোনা ক্লাস যে মিস করেছি, তার হিসাব আমি দিতে পারব না !!
এরজন্য আজ খুব বেশি আফসোস হয়, জানি এখন আফসোস করেও লাভ হবে না। কারণ সময় থাকতেই সময়ের মূল্য দিতে হয়, যেইটা আগে দেওয়ার কথা ছিলো আমার !  আমি দিতে পারিনি !
.
.
গত মাসে ( জুলাই ২০১৭ ) আমার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা এর রেজাল্ট দিছে ! পাশ করেছি ( রেজাল্ট আহামরি কিচ্ছু হয়নি ) : এখন ভার্সিটি এডমিশন এর জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছি।
... তো হঠাত এই কথাগুলা লিখার ইচ্ছা জাগলো। যেহেতু এইটা আমার পারসোনাল ব্লগ, তাই আমি আমার মত করেই লিখার চেষ্টা করেছি আমার অগুছালো কথাগুলা।
.
মেস লাইফ নিয়ে চরম অভিজ্ঞতা শেয়ার করার চেষ্টা করব এই ব্লগ এর পরবর্তী কোননা না কোনও পোষ্টে।
.
... সব শেষে,
মেস লাইফে থাকাটা খুব কষ্টের হয়, কেউ আদর করে ডাকবেনা। নিজের বাসার মত করে, নিজের কোন কিছু কারো উপর চাপায়ে দেওয়ার চেষ্টা করা যাবে না। মাঝে মাঝে পড়তে বসলে ঘুম আসবে, কখনো বা পড়তেই ইচ্ছে করবে না।
.
... তবে সবকিছু ছাপিয়ে বড় কথা হলো, নিজের রুম এর ভিতর স্বাভাবিক ভাবে মারা গেলেও খুব দ্রুত কেউ টের পাবে না !! কারণ, এখানে আসলেই কেউ খুব অকারণে ডাকতে আসবে না ! কখনোই না...
[ অসমাপ্ত ]
-------------------
নীল সাগর
facebook.com/sagortimes
twitter.com/sagortimes
instagram.com/sagortimes
প্রকাশিত : আগষ্ট ২০ ২০১৭

Saturday, August 19, 2017

জীবনের জন্য ১৫ টি গুরুত্বপূর্ণ কথা

August 19, 2017



০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিয়ে যাবে।
.
০২। পরিবার দেখে বিয়ে করুন। অসভ্য, গোয়ার বা ভন্ড পরিবার আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিবে।
.
০৩। নিজের ভাই বোন ছাড়া কাউকে বড় অংকের টাকা ধার দিবেন না। তাতে সম্পর্ক নষ্ট হবে। ভাই বোনের কাছ থেকে টাকা ফেরৎ না পেলেও ততো দুঃখ থাকবে না কারণ সেটা আপনার আপনজনই খেয়েছে কিন্তু অন্যের কাছ থেকে ফেরৎ না পেলে দুঃখের সীমা থাকবে না।
.
০৪। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবেন না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন।
.
০৫। পৃথিবীতে কেউ ব্যস্ত না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর। কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে।
.
০৬। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।
.
০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনে কেউ সুযোগ দিবে না।
.
০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন। সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে। সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই।
.
০৯। নারাজ মুডে থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং।
.
১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো।
.
১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দিবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে।
.
১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন। লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম।
.
১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই। ধাপে ধাপে এগোন।
.
১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, মানুষ তার আশার সমান সুন্দর, বিশ্বাসের সমান বড়।
.
১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না।




♥ কোনো এক পেইজের কমেন্ট থেকে প্রাপ্ত, কে লিখেছেন জানিনা, তাই কার্টেসি দিতে পারলাম না
প্রকাশ : আগষ্ট ২২ ২০১৭


Advertisement